যে কারণে বিপ মেসেজিং অ্যাপের চাহিদা তুঙ্গে

4

প্রযুক্তি ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মেসেজি অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। কিন্তু সম্প্রতি হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ প্রাইভেসি-বিষয়ক নীতিমালা ও ব্যবহারের শর্তে পরিবর্তন আনায় ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় ব্যবহারকারীদের মনে। যার ফলশ্রুতিতে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল এবং বিপ মেসেজিং অ্যাপের চাহিদা গত কয়েকদিনে অবিশ্বাস্য পরিমাণ বেড়ে গেছে।

এর মধ্যে বাংলাদেশে বর্তমানে মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সবচেয়ে বেশি ‘বিপ’ অ্যাপ ডাউনলোড করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপের মতো জনপ্রিয় অ্যাপগুলো পেছনে ফেলে গুগল প্লে স্টোরে বাংলাদেশে ডাউলোডের শীর্ষে বর্তমানে রয়েছে তুরস্কের তৈরি মেসেজিং অ্যাপ বিপ।

২০১৩ সালে তুরস্কের মোবাইল ফোন কোম্পানি টার্কসেল এই অ্যাপ তৈরি করে। হোয়াটসঅ্যাপের বিকল্প হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে এর ডাউনলোডের পরিমাণ হু হু করে বেড়ে গেছে। এর মধ্যে ডাউনলোডে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে মানুষজনের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মুসলিম দেশের অ্যাপ হওয়ায় বেশি ডাউনলোড করা হচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন।

বিপ অ্যাপের যত সুবিধা:
* অ্যাপটিতে এইচডি কোয়ালিটির অডিও এবং ভিডিও কলিং সুবিধা রয়েছে। একসঙ্গে ১০ জন পর্যন্ত কলিংয়ে যুক্ত হতে পারা যায়।
* রয়েছে এইচডি কোয়ালিটিতে ফটো ও ভিডিও শেয়ারিং সুবিধা।
* চ্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে ১০৬টি ভাষায় অনুবাদ সুবিধা রয়েছে। আপনি আপনার স্থানীয় ভাষায় বার্তা পাঠালে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বন্ধুর স্থানীয় ভাষায় অনুবাদ হয়ে যাবে।
* খবর থেকে শুরু করে বিনোদনমূলক সব কনটেন্ট উপভোগে অ্যাপটিতে রয়েছে ডিসকভার অপশন।
* বিপ অ্যাপে সিক্রেট চ্যাট করার সুবিধা রয়েছে। এর আওতায় সময় সেট করে দিলে নির্দিষ্ট সময় পর মেসেজ মুছে যাবে।
* অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস স্মার্টফোনের পাশাপাশি কম্পিউটারেও ব্যবহার করা যাবে বিপ।
* সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, অ্যাপটি এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশট প্রযুক্তির। ফলে ব্যবহারকারীর কল বা বার্তায় তৃতীয় পক্ষের কেউ গোপন নজরদারী করতে পারবে না। সুরক্ষিত থাকবে ব্যক্তিগত তথ্য।